1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Oli Amammed : Oli Amammed
  3. [email protected] : admin21 :
  4. [email protected] : claimtrainnn :
  5. [email protected] : Emran hossain : Emran hossain
  6. [email protected] : maybelledore99 :
  7. [email protected] : oliadmin :
  8. [email protected] : shorif haider : shorif haider
  9. [email protected] : Yousuf H. Babu : Yousuf Hossain
বহির্বিশ্বে তুর্কি সামরিক উপস্থিতি: নব্য ওসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্থান? - দৈনিক ঢাকা
বুধবার, ২১ অক্টোবর ২০২০, ০২:২৭ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজঃ
হাইকমান্ড থেকে নির্বাচন নিয়ে বিএনপির নতুন কর্মসূচি ঘোষণা  ছাত্রীর মা বাসায় ফিরে দেখেন ‌‘মেয়েকে ধর্ষণ করছে; ছাত্র ইউনিয়ন কর্মী’!… সরকারই বাড়াল আলুর দাম, কেজি ৩০ টাকার পরিবর্তে ৩৫ প্রবাসীর স্ত্রীর অশ্লীল ছবি ফেসবুকে, আটক গৃহশিক্ষক বেতনে সংসার চলছে না, পদত্যাগের চিন্তা ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রীর ফেসবুকে আপত্তিকর ভিডিও, ধর্ষণের অভিযোগ ময়মনসিংহের এমপি নাজিমুদ্দিনের বিরুদ্ধে! ফেসবুকে আপত্তিকর ভিডিও, ধর্ষণের অভিযোগ ময়মনসিংহের এমপি নাজিমুদ্দিনের বিরুদ্ধে! সরকারকে ৭ দিনের আল্টিমেটাম দিল মান্না সরকারের পদত্যাগ চাওয়ার আগে বিএনপির পদত্যাগ করা উচিত’ রিজভীর অনুপস্থিতিতে দলের মুখপাত্র প্রিন্স

বহির্বিশ্বে তুর্কি সামরিক উপস্থিতি: নব্য ওসমানীয় সাম্রাজ্যের উত্থান?

  • হালনাগাদ সময়ঃ শনিবার, ১০ অক্টোবর, ২০২০
  • ২১৭ পাঠক সংখ্যাঃ

সাম্প্রতিক বিশ্বের একটি অন্যতম আলোচিত বিষয় হচ্ছে তুরস্কের সামরিক ও রাজনৈতিক উত্থান। ন্যাটোর দ্বিতীয় বৃহত্তম সামরিক শক্তি তুরস্ক রিসেপ তাইয়্যেপ এরদোয়ানের নেতৃত্বে একটি বলিষ্ঠ পররাষ্ট্রনীতি গ্রহণ করেছে, এবং সিরিয়া, ইরাক, পূর্ব ভূমধ্যসাগর, লিবিয়া ও আজারবাইজানে তুর্কি সামরিক হস্তক্ষেপের ফলে অনেক বিশ্লেষকেরই ধারণা হয়েছে যে, তুরস্ক একটি ‘নব্য ওসমানীয় সাম্রাজ্য’ সৃষ্টি করতে আগ্রহী।

তুর্কি রাষ্ট্রবিজ্ঞানী সোনের চাগাপ্তায়ের মতে, এরদোয়ান ইতোমধ্যেই একটি ‘ক্ষুদ্র সাম্রাজ্য’ গড়ে তুলেছেন। সাইপ্রাসভিত্তিক ‘উত্তর সাইপ্রাস তুর্কি প্রজাতন্ত্র’, সিরিয়াভিত্তিক ‘সিরীয় অন্তর্বর্তীকালীন সরকার’, ইরাকভিত্তিক ‘কুর্দিস্তান অঞ্চল’, লিবিয়াভিত্তিক ‘গভর্নমেন্ট অফ ন্যাশনাল অ্যাকর্ড’, আজারবাইজান– এগুলোর প্রত্যেকেই হয় তুরস্কের ওপর সরাসরি নির্ভরশীল অথবা তুরস্কের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে সম্পর্কযুক্ত। এর বাইরে কাতার, সোমালিয়া, তিউনিসিয়া, মালি, আলবেনিয়া, বসনিয়া–হার্জেগোভিনা, কসোভো, জর্জিয়া ও ইউক্রেনসহ বেশকিছু রাষ্ট্রের সঙ্গে তুরস্ক ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে।

যেকোনো বৃহৎ শক্তির সামর্থ্য নির্ণয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশক হচ্ছে বহির্বিশ্বে সেই শক্তিটির সামরিক উপস্থিতি। এদিকে থেকেও তুরস্ক পিছিয়ে নেই, এবং বহির্বিশ্বে তাদের সামরিক উপস্থিতি উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। ‘আফ্রিকার শৃঙ্গ’ অঞ্চল থেকে বলকান পর্যন্ত বিভিন্ন রাষ্ট্রে তুরস্কের স্থায়ী সামরিক ঘাঁটি স্থাপিত হয়েছে। চলুন, জেনে নেয়া যাক, সেই ঘাঁটিগুলো কোথায় কোথায় অবস্থিত।

#সাইপ্রাস

১৫৭১ থেকে ১৮৭৮ সাল পর্যন্ত সাইপ্রাস ওসমানীয় সাম্রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল, কিন্তু ১৮৭৭–৭৮ সালের রুশ–ওসমানীয় যুদ্ধের পর ব্রিটেন কার্যত সাইপ্রাস দখল করে নেয় এবং ১৯১৪ সালে আনুষ্ঠানিকভাবে সাইপ্রাসকে একটি ব্রিটিশ উপনিবেশে পরিণত করে। ১৯৬০ সালে সাইপ্রাস স্বাধীনতা লাভ করে, এবং তখন থেকেই সাইপ্রাসের তুর্কি সাইপ্রিয়ট সংখ্যালঘুদের সুরক্ষা প্রদানের জন্য রাষ্ট্রটিতে তুর্কি সামরিক উপস্থিতি ছিল।

১৯৭৪ সালে গ্রিক–সমর্থিত একটি সামরিক অভ্যুত্থানে সাইপ্রিয়ট সরকার ক্ষমতাচ্যুত হলে তুরস্ক সাইপ্রাস আক্রমণ করে এবং তুর্কি সৈন্যরা রাষ্ট্রটির ৩৬.২% ভূমি (৩,৩৫৫ বর্গ কি.মি.) দখল করে নেয়। ১৯৮৩ সালে সাইপ্রাসের তুর্কি অধিকৃত অঞ্চলে তুর্কি সাইপ্রিয়টরা ‘উত্তর সাইপ্রাস তুর্কি প্রজাতন্ত্র’ নামক একটি স্বাধীন রাষ্ট্র ঘোষণা করে, কিন্তু তুরস্ক ছাড়া অন্য কোনো রাষ্ট্র উত্তর সাইপ্রাসের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়নি, এবং এটি কার্যত তুরস্কের একটি আশ্রিত রাষ্ট্র।

উত্তর সাইপ্রাসে তুরস্কের একটি বৃহৎ সৈন্যদলকে স্থায়ীভাবে মোতায়েন করা হয়েছে, যেটি ‘সাইপ্রাস টার্কিশ পিস ফোর্স কমান্ড’ নামে পরিচিত। এই কমান্ডের অধীনে প্রায় ৩০,০০০ তুর্কি সৈন্য উত্তর সাইপ্রাসে মোতায়েনকৃত রয়েছে। উত্তর সাইপ্রাসের গির্নে শহরে এই বাহিনীটির সদর দপ্তর অবস্থিত।

এই বাহিনীটি আনুষ্ঠানিকভাবে তুর্কি সেনাবাহিনীর ‘ঈজিয়ান আর্মি’র অংশ (যেটির সদর দপ্তর ইজমির শহরে), কিন্তু কার্যত এটি সরাসরি আঙ্কারায় তুর্কি জেনারেল স্টাফের অধীনস্থ। এর বাইরে সম্প্রতি তুরস্ক উত্তর সাইপ্রাসের গেচিৎকালে বিমানবন্দরে একটি ড্রোন ঘাঁটি স্থাপন করেছে, যেটির মূল উদ্দেশ্য লিবিয়ায় সামরিক অভিযানে অংশগ্রহণ করা। তদুপরি, সাম্প্রতিক সময়ে পূর্ব ভূমধ্যসাগরে গ্রিস ও সাইপ্রাসের সঙ্গে দ্বন্দ্বের প্রেক্ষাপটে তুরস্ক উত্তর সাইপ্রাসের গাজিমাউসা বন্দরে একটি নৌঘাঁটি স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

#ইরাক

১৫৩৪ থেকে ১৯২০ সাল পর্যন্ত ইরাকের সম্পূর্ণ অংশ বা অংশবিশেষ ওসমানীয় সাম্রাজ্যের শাসনাধীনে ছিল, কিন্তু প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর ব্রিটেন ইরাক দখল করে নেয়। ১৯৮০–এর দশক থেকে তুরস্ক তুর্কি কুর্দি বিচ্ছিন্নতাবাদী দল ‘পার্তিয়া কারাকেরেন কুর্দিস্তানে’র (পিকেকে) বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত এবং ১৯৯০–এর দশকে তুর্কি সশস্ত্রবাহিনী ইরাকি কুর্দিস্তানে অবস্থিত পিকেকের ঘাঁটিগুলোতে আঘাত হানতে শুরু করে।

এসময় ইরাকি কুর্দিস্তানের দুটি প্রধান দল ‘কুর্দিস্তান ডেমোক্রেটিক পার্টি’ (কেডিপি) ও ‘প্যাট্রিয়টিক ইউনিয়ন অফ কুর্দিস্তান’ (পিইউকে) পরস্পরের বিরুদ্ধে দ্বন্দ্বে লিপ্ত ছিল। তুরস্ক পিকেকেকে দমন করার উদ্দেশ্য কেডিপির সঙ্গে মিত্রতা স্থাপন করে, অন্যদিকে পিকেকে পিইউকে–এর সঙ্গে মৈত্রীর বন্ধনে আবদ্ধ হয়। ১৯৯৬ সালে তুরস্ক কেডিপি–নিয়ন্ত্রিত দোহুক প্রদেশে একটি বিমানঘাঁটি স্থাপন করে, এবং এর মধ্য দিয়ে ইরাকি কুর্দিস্তানে তুরস্কের স্থায়ী সামরিক উপস্থিতির সূচনা হয়।

ইরাকি কুর্দিস্তানে মোতায়েনকৃত একদল তুর্কি সৈন্য; Source: Sertac Kayar/Reuters via RT
২০০৩ সালে ইরাকে মার্কিন আক্রমণের পর থেকে ইরাকি কুর্দিস্তানের সঙ্গে তুরস্কের সহযোগিতামূলক সম্পর্ক উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পেতে থাকে। এর ফলে তুরস্ক সেখানে বেশ কয়েকটি সামরিক ঘাঁটি স্থাপন করে।

এর মধ

ফেসবুকে শেয়ার করতে আইকনে চাপুন

এই বিভাগের আরও খবর
সৌদি আরবে আনলিমিডেট ইন্টারনেট ব্যাবহার করুন STC MOBILY সিমে মাত্র 40রিয়ালে এক মাস। কাজের পাশাপাশি ডলারের ব্যবসা করতে যোগাযোগ করুন ইমো +14314007679 ওয়াটসাপ 0572009616