মৃ’ত্যুর আগে যে হৃদয়বিদারক কথা বলে গিয়েছিল নুর নাহার - দৈনিক আমার দেশ  
  1. [email protected] : admin :
  2. [email protected] : Oli Amammed : Oli Amammed
  3. [email protected] : admin21 :
  4. [email protected] : claimtrainnn :
  5. [email protected] : Emran hossain : Emran hossain
  6. [email protected] : maybelledore99 :
  7. [email protected] : oliadmin :
  8. [email protected] : shorif haider : shorif haider
  9. [email protected] : Yousuf H. Babu : Yousuf Hossain
মৃ’ত্যুর আগে যে হৃদয়বিদারক কথা বলে গিয়েছিল নুর নাহার - দৈনিক আমার দেশ
মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর ২০২০, ০৫:০৪ অপরাহ্ন

মৃ’ত্যুর আগে যে হৃদয়বিদারক কথা বলে গিয়েছিল নুর নাহার

  • হালনাগাদ সময়ঃ মঙ্গলবার, ১০ নভেম্বর, ২০২০
  • ১১৮২ পাঠক সংখ্যাঃ

টাঙ্গাইলের বাসাইলে বিয়ের ৩৪ দিনের মাথায় স্বামীর বর্বর যৌ’নসঙ্গমে মারা যাওয়া ১৪ বছরের কিশোরী নুর নাহার মৃত্যুর আগ মুহূর্তে তার নানাকে জড়িয়ে ধরে কিছু হৃদয়বিদারক কথা বলেছিল।

বিলাপের স্বরে নুর নাহারের সেই কথাগুলো বলতে বলতে অজ্ঞান হয়ে পড়েন নানা লাল খান। তিনি বলেন, নানা ও (স্বামী) মানুষ না জানোয়ার, আমি (ছাত্রী) কত হাতে পায়ে ধরেছি, সহ্য করতে পারছি না, তাও ও (স্বামী) আমারে ছাড়ে নাই। রক্ত পড়তাছে, যন্ত্রণায় কুকাইতাছি, দম বন্ধ হয়ে আসছে, আমারে বাঁচতে দেন, তাও ও (স্বামী) আমারে ছাড়ে নাই। ও (স্বামী রাজিব) বলে প্রথম দিকে এ রকম সমস্যা হয়ই, কয়েকদিন পর ঠিক সয়ে যাবে, এমনটাই বলতে বলতে মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়ে।

তিনি আরো বলেন, আমার মেয়ের জামাইর অভাবের কারণে নুর নাহারকে ছোটবেলাতেই আমার বাড়িতে নিয়ে আসি। দিনমজুরি করেই তাকে লেখাপড়া করাচ্ছিলাম। ছেলে প্রবাসী ও ধনী হওয়ায় আমরা নুর নাহারকে বিয়ে দেই। বিয়ের কয়েকদিন পর থেকে তার রক্তক্ষরণ শুরু হয়। এজন্য নুর নাহারের শাশুড়ি তাকে গ্রাম্য কবিরাজের ওষুধ খাওয়াচ্ছিল। পরে রক্তক্ষরণ বেশি হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

লালা খান বলেন, অপ্রাপ্ত বয়সে বিয়ের কারণে নুর নাহারের গোপনাঙ্গ দিয়ে রক্তক্ষরণ হয়েছে বলে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন। শেষ পর্যন্ত আমরা তাকে আর বাঁচাতে পারলাম না। মৃত্যুর পর নুর নাহারের স্বামী রাজিব তার মরদেহ পর্যন্ত দেখতে আসেনি। মূলত স্বামীর কারণেই আমার নাতনির মৃত্যু হয়েছে।

নুর নাহারের স্বামী রাজিব বলেন, বিয়ের পর তার সঙ্গে পাঁচ ছয়দিন মেলামেশা হয়েছে। সে বলছে তার কষ্ট হয়, ব্যথার কথা জানান এবং রক্তক্ষরণ দেখা দেয়। বিষয়টি দুই পক্ষের অভিভাবকদেরও জানানো হয়।

নুর নাহারের শাশুড়ি বিলকিস বেগম বলেন, আমি মনে করছি ভূত-প্রেতের আছর করতে পারে। তাই কবিরাজ দিয়ে তাবিজ এনে পরিয়েছি। তাতেও কোন উন্নতি না হওয়ায় টাঙ্গাইল সদরে একটি ক্লিনিকে নিয়ে যাই।

নুর নাহারের বাবা বলেন, রাজিবের বাবাকে কয়েক দফা ফোন দিয়েছি। তিনি বলছেন, আপনারা চিকিৎসা করান, আমি গিয়ে কি করবো। আর ক্লিনিকে নুর নাহারকে তার পরিবারের কাছে বুঝিয়ে দিয়ে স্বামী রাজিব কৌশলে সেখান থেকে কেটে পড়ে।

এর আগে গত রোববার ভোরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নুর নাহারের মৃত্যু হয়।

ফেসবুকে শেয়ার করতে আইকনে চাপুন

এই বিভাগের আরও খবর
সৌদি আরবে আনলিমিডেট ইন্টারনেট ব্যাবহার করুন STC MOBILY সিমে মাত্র 40রিয়ালে এক মাস। কাজের পাশাপাশি ডলারের ব্যবসা করতে যোগাযোগ করুন ইমো +14314007679 ওয়াটসাপ 0572009616